ঢাকাFriday , 25 September 2020
  1. অপরাধ
  2. অর্থ-উন্নয়ন
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. একদিন প্রতিদিন
  8. কৃষি সংবাদ
  9. খেলা
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. চিত্র বিচিত্র
  13. জাতীয়
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. দূর্ঘটনা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পার্বতীপুরে চালের বাজারে অস্থিরতা, কেজি প্রতি দাম বেড়েছে অন্তত ৫ টাকা

Link Copied!

481 Views

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে গত কয়েক দিন ধরে সব ধরনের চালের দাম উদ্ধমূখী হারে বেড়েই চলেছে। মোটা চালের সরবরাহ কম থাকায় এর প্রভাব পড়েছে চিকন চালের ওপর। সকল চালের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে অন্তত ৫ টাকা। শহরের নতুন বাজারে চালের মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারীতে ২৮-জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৮ টাকা, ২৯-জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা আর মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকায়। তবে খুচরা পর্যায়ে ক্রেতাদের এসব চাল কিনতে হলে গুণতে হচ্ছে আরও ২/৩ টাকা বেশি।

জানা যায়, পার্বতীপুর উপজেলায় মোট ১০টি অটোরাইস মিল রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- হক ব্রাদার্স অটোরাইস মিল ৩টি, মোজাফ্ফর অটোরাইস মিল, মন্ডল অটোরাইস মিল, সোনালী অটোরাইস মিল, শারমিন অটোরাইস মিল, জননী অটোরাইস মিল, সাবেনুর অটোরাইস মিল ও সততা অটোরাইস মিল। এর মধ্যে কিছু সংখ্যক মিল থেকে সরকারকে চাল দেয়া হয়নি। সেই সাথে একটি আতব চালের মিল থেকে সামান্য পরিমাণ চাল গুদামে দেয়া হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

উপজেলায় হাস্কিং মিলের সংখ্যা ৮৪টি হলেও ২০টি থেকে কোন চাল দেয়া হয়নি দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। এদিকে, ৪টি খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪ হাজার ১শ ৯১ মে.টন। সেখানে ধান সংগ্রহ হয়েছে ১৫০০ মে.টন। অন্যদিকে, চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৮০০ মে.টন হলেও সংগ্রহ করা হয়েছে শতকরা ৭৫ ভাগ।

পার্বতীপুরের মিল মালিকরা বলছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাজারে ধান ও চালের দাম বেশি থাকায় তারা বাজার থেকে প্রয়োজনীয় ধান সংগ্রহ করতে পারেননি। মিল মালিকরা আরও বলেন, ধানের সংকট, কাটা মাড়াইয়ের সময় ঘন বৃষ্টির কারণে উলে­যোগ্য পরিমান ধান নষ্ট হয়। এসব কারণে বাজারে ধান সরবরাহ কম করা হয়েছে। বর্তমানে বাজারে মিডিয়াম ও মোটা ধান কেনা বেচা হচ্ছে প্রতি মণ (কেজির ওজন) ১১০০ টাকা থেকে ১১২০ টাকা আর মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ১১২০ থেকে ১২০০ টাকা মণ।

পার্বতীপুর শহরের নতুন বাজারে চাল মার্কেটে প্রতি কেজি মোটা ও মিডিয়াম চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৭ টাকা। আর মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫/৫৬ টাকায়। ক্রেতা মোঃ নুর আলী বলেন, বাজারে এখন মোটা চালের দাম বেশি হওয়ায় গরীব মানুষদের কষ্ট বেড়ে গেছে।

মন্ডল অটো রাইস মিলের মালিক মোঃ মশিউর রহমান বলেন, চালের দাম বাড়ার আরেকটি বড় কারণ হলো রেসিও। আগে ৪০ কেজি ধানে চাল পাওয়া যেত ২৬ কেজি, আর এখন পাওয়া যাচ্ছে ২৩ থেকে সাড়ে ২৩ কেজি। তিনি আরও বলেন, আমি একজন মিল মালিক। তা সত্বেও এ দেশের মানুষ হিসেবে দ্রুত চাল আমদানীর জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, সরকার বসে নেই। দ্রুতই আমদানী শুরু হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, যারা চুক্তি করে সরকারকে চাল দেয়নি তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।