ঢাকাSunday , 2 May 2021
  1. অপরাধ
  2. অর্থ-উন্নয়ন
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. একদিন প্রতিদিন
  8. কৃষি সংবাদ
  9. খেলা
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. চিত্র বিচিত্র
  13. জাতীয়
  14. তথ্য-প্রযুক্তি
  15. দূর্ঘটনা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেয়াদোত্তীর্ণ নাট-বল্টুর তিস্তা রেল সেতু

Link Copied!

162 Views
তিস্তা রেল সেতু, লালমনিরহাট জেলার একটি পুরাতন রেল সেতু। বর্তমানে সেতুটি লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সাথে রংপুর সহ অন্যান্য জেলার সংযোগ রক্ষাকারী হিসেবে অদ্যাবধি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য  সর্ববৃহৎ আয়তনের অধিকারী লালমনিরহাট জেলার এই তিস্তা রেল সেতুটি। নিমার্ণের প্রায় দুই শতাব্দী পরেও সেতুটি এখনো ততোটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়, দাড়িয়ে আছে ঠিক আগের মতোই।
নজরদারীর অভাবে চুরি হয়ে যাচ্ছে তিস্তা রেল সেতুর নাট-বল্টুসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রায় ১০০ বছর পরেও এই সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন চলছে ১৫ থেকে ২০টি ট্রেন।
এই রেল সেতুটি  মুলতঃ লালমনিরহাট  জেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নে তিস্তা মৌজার, তিস্তা নদীর উপরে নির্মিত, য়ার উত্তর অংশে লালমনিরহাট সদর উপজেলা ও দক্ষিণ অংশে রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলা।
১৮৩৪ সালের তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের প্রতিষ্ঠান, নর্দান বেঙ্গল স্টেট রেলওয়ে ২,১১০ ফুট (৬৪৩ মিটার) এ সেতুটি নির্মাণ করে। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রায় ১০০ বছর পরেও লালমণিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সংযোগকারী  তিস্তা রেলসেতু পারাপারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঐতিহাসিক এ সেতুর রেলপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের প্রতিষ্ঠান নর্দান বেঙ্গল স্টেট রেলওয়ে ১৮৩৪ সালে সংযোগকারী সেতুটি নির্মাণ হলেও। নির্মাণের সময় এর স্থায়ীত্বকাল ধরা হয়েছিল ১০০ বছর।
তবে নিমার্ণের প্রায় দুই শতাব্দী পরেও সেতুটি এখনো ততোটা ঝুঁকিপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট জোন।
নির্মানের পর এই সেতুটি কেবলমাত্র রেল যোগাযোগের জন্যই রেল পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু সড়ক যোগাযোগের জন্য বিকল্প আর একটি সেতু নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল হবে বলেই এবং লালমনিরহা ও কুড়িগ্রাম জেলার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য এই সেতুর উপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগ চালুর সম্ভাব্যতা ও উপযুক্ততা যাচাই করার পর ১৯৭৮ সালে ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিক ভাবে সেতুটির উপর দিয়ে রেলের পাশাপাশি সড়ক পরিবহন যোগাযোগ চালু হয় । তখন থেকে তিস্তা রেলওয়ে সেতুর উপর দিয়ে রেল ও সড়ক উভয় যোগাযোগই অব্যাহত ছিল।
কিন্তু একটি সেতুর উপর বেশি চাপ পড়বে এ কারনে ২০০৬ সালে আর একটি নতুন তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেই সড়ক সেতুটির নিরমান কাজ সমাপ্ত হয় ২০১২ সালে। নতুন এই তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ করা হওয়ার পর আবারও তিস্তা রেল সেতুতে সড়ক যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে  শুধু রেল চলাচলের জন্য এই সেতুটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সেতুটি অনেক পুরাতন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় এই সেতুটিকে লালমনিরহাট জেলায় ঐতিহাসিক সেতু বলেই পরিচিত। আর সেতুটি ঐতিহাসিক বলেই প্রতিদিনই ভ্রমণ কারিদের সমাগম ঘটে এই রেল সেতুটিতে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির কিছু কাঠের স্লিপারগুলো নষ্ট হয়ে গেছে এবং রেলপথে ব্যবহৃত ক্লিপগুলোর কিছু ক্লিপ চুরি হয়ে গেছে। কাঠগুলো পচে যেতে শুরু করেছে । এছাড়াও সেতুর পাশে দুইসারির জোড়ায় ব্যবহৃত  ফিসপ্লেটের  নাট-বল্টুতে মরিছা ধরেছে।
বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার লালমনিরহাট (ডিআরএম) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ জানান, তিস্তা এই রেল সেতুটির মেয়াদ শেষ হলেও ট্রেন চলাচলে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে কিছু জ্ঞানহীন মানুষ সেতুটির নাট বল্টু ও স্লীপার গুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।  যা ট্রেন চলাচলে মারাত্মক হুমকীর মুখে পড়তে পারে। যদিও তিস্তা রেল সেতুটি রক্ষনা বেক্ষনে সেখানে জনবল রাখা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।